Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label পুরুষের স্বাস্থ্য. Show all posts

প্রাকৃতিক উপায়ে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা এবং বীর্য ঘনত্ব বাড়ানোর কার্যকর পদ্ধতি

যদি কোন পুরুষ মনে করেন যে তার বীর্যে শুক্রানু প্রয়োজনীয় পরিমানে সর্বোচ্চ নয়, তাহলে তিনি কিছু কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেন। মনে রাখবেন আপনি যদি একবছরের বেশি সময় ধরে এ চেষ্টা না করে থাকেন তাহলে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার মত কোন কিছু নেই। আর যদি আপনি এক বছরের চেয়ে বেশি সময় ধরে সন্তান নেবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন, তাহলেই হোমিওপ্যাথের শরনাপন্ন হতে হবে।

বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা নিয়ে পুরুষের কিছু ভুল ধারনা:- শুক্রানু সংখ্যা বৃদ্ধির উপায় বলার আগে চলুন এ বিষয়ে কিছু ভুল ধারনা সম্পর্কে যানা যাক। কিছু মানুষ মনে করেন তার বীর্যের পরিমান এবং রঙের দিকে তাকিয়ে নিঃস্বরিত বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা অনুমান করা সম্ভব! বীর্যের পরিমান দিয়ে কোন পুরুষের বন্ধত্ব কিংবা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা নির্ধারন করা যায়না। বীর্যের বেশিরভাগ অংশ বীর্য-তরল, তাই খালি চোখে আমরা যা দেখি তা দিয়ে দৃশ্যমান বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা নিরূপন করা করা অসম্ভব। বীর্যে শুক্রানুর পরিমান/সংখ্যা জানতে তা মাইক্রোস্কপে পরীক্ষা করা অবশ্যক।

কিছু মানুষ মনে করে খৎনা না করা লিঙ্গ পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতাকে ক্ষতিসাধন করতে পারে। খৎনা এবং শুক্রানুর সংখ্যার সাথে কোন পারস্পরিক সম্পর্ক নেই। খৎনা হলো শুধুমাত্র লিঙ্গের অগ্রভাগ থেকে কিছুটা চামড়া কেটে ফেলা মাত্র। খৎনা নিয়ে জাতি এবং ধর্মবেধে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু লিঙ্গের অগ্রভাগে চামড়া থাকা এবং না থাকার সাথে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যায় কোন পার্থক্য হয়না।
অন্য একটি ভুল ধারনা হলো, যৌন পুরুষোচিত তেজ এর ভিত্তিতে একজন পুরুষ বলতে পারে তার বীর্য কতটা উর্বর। উন্নত যৌনক্ষমতা থাকা হয়তো আনন্দের, কিন্তু তা পুরুষের সন্তান জন্মদান ক্ষমতা এবং বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা পরিমানের সাথে কোন প্রকার সম্পর্কযুক্ত নয়। শুক্রানুর সংখ্যার সাথে অনেকগুলো কারন জড়িত থাকতে পারে, কিন্তু ভাল যৌনমিলন ক্ষমতা এর সাথে সম্পর্কিত নয়।

বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা বাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়:- অল্প কিছু বিষয় পুরুষের বীর্যে শুক্রানু সংখ্যার উপর প্রভাব ফেলে। নিন্মে তার কিছু বর্ননা করা হলো:

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন:- পর্যপ্ত পুষ্টিযুক্ত খাবার, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং শরীরের সঠিক ওজন ধরে রাখার মাধ্যমে উর্বরতা (fertility) উন্নয়ন করা যায়। শাকসব্জি এবং ফলমুল খাদ্য তালিকায় থাকলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে যা উর্বরতায় (fertility) ভুমিকা রাখে। গবেষনায় দেখা গেছে শাকাসব্জি ও ফলমুলে বিদ্যমান এন্টিঅক্সিডেন্ট উর্বরতা (fertility) এর জন্য অনেক বেশি উপকারী। পাশাপাশি সঠিক শাররীক ওজনও একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। অতিরিক্ত মেদযুক্ত পুরুষের শুক্রানুর সংখ্যা এবং শুক্রানুর গুনগত মান উভয়ই খারাপ হয়ে থাকে।

ধুমপান হতে বিরত থাকুন:- এখনাকার সময় সবাই যানে ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে ধুমপান শুধুমাত্র মোটের উপর স্বস্থ্যের জন্য ঝুকিপুর্ন নয়, এটি আপনার সন্তান জন্মদান ক্ষমতাও ধ্বংস করতে পারে। এক স্টাডিতে দেখা গেছে, যেসকল পুরুষ ধুমপান করেন তাদের বীর্যে শুক্রানুর পরিমান যারা ধুমপান করেননা তাদের তুলনায় ১৭% কম।

মদ কিংবা অন্য মাদক পরিহার করুন:- অতিরিক্ত মদ্যপান অথবা মাদকের ব্যবহার উর্বরতা নষ্ট করতে পারে। যেসকল পুরুষ দিনে ৪ গ্লাসের বেশি মদ্যপান করে থাকেন তাদের শুধুমাত্র সন্তান জন্মদান ক্ষমতা নয় – মোটের উপর যৌনক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। পাশাপাশি অধিক মাদক গ্রহন পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা ধরে রাখা ব্যহত করে যা স্থায়ী যৌন অক্ষমতায় রূপ নিতে পারে।

নিয়মিত যৌনমিলন করুন:- আপনি হয়তো মনে করছেন যৌনমিলন করা সন্তান প্রত্যশি যুগলের জন্য ভাল জিনিস, কিন্তু অনেক যগলের ভুল ধারনা আছে যে মাত্রতিরিক্ত শাররীক মিলন করলে বীর্যে শুক্রানুর পরিমান কমে যায়। তথ্যটি একসময় সত্য ছিল – কিন্তু বর্তমানে সুঠাম স্বাস্থ্যবান (মোটা নয়) পুরুষের ক্ষেত্রে এটি ভুল ধারনা বলে প্রমানিত হয়েছে। একসময় ডাক্তার এমন পরামর্শ দিতেন যে, যেসকল পুরুষের শুক্রানু সংখ্যা কম তারা কিছুদিন শাররীক মিলনে বিরতি দিয়ে শুক্রানু জমা করে শাররীক মিলন করতে পারেন। যদিও অনিয়মিত যৌনমিলন হয়তো সংখ্যায় কোনক্রমে উন্নত হয়, একই সাথে শুক্রানুর গুনগত মানে এর নেগেটিভ ইফেক্ট আছে। যখন একজন পুরুষ নিয়মিত যৌনমিলন করে তখন প্রতিবার বীর্যস্থলনের সময় সে তার ক্রুটিপুর্ন শুক্রানুর একটা অংশ নিষ্কৃত করে।

এভাবে ক্রুটিপুর্ন শুক্রানু নির্গত করে সে স্বাস্থ্যবান শুক্রানু উৎপাদনের জন্য যায়গা খালি করে। সকালবেলা যৌনমিলন করলেও লাভবান হবার সম্ভাবনা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে সকালবেলা প্রাকৃতিক ভাবেই বীর্যে শুক্রানু সংখ্যা সর্বোচ্চ পরিমানে থাকে। তবে যদি রোগ বা অন্য কারণে এ সংক্রান্ত কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলতে ভুলবেন না। তথ্যসূত্র : লিংক 
Share:

দ্রুত বীর্যপাতের সর্বাধিক কার্যকর হোমিওপ্যাথিক সমাধান

দ্রুত বীর্যপাতেরই আরেক নাম ইংরেজিতে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। মাঝে মধ্যে অনেক পুরুষকেই দেখা যায় যৌনমিলনের সময় নিজেদের অথবা তাদের যৌনসঙ্গিনীর চাহিদার তুলনায় দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন। যদি এটা কদাচিৎ ঘটে তাহলে তেমন সতর্ক হওয়ার কারণ নেই। কিন্তু যদি নিয়মিত আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর ইচ্ছার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে অর্থাৎ যৌনসঙ্গম শুরু করার আগেই কিংবা যৌনসঙ্গম শুরুর একটু পরে আপনার বীর্যপাত ঘটে যায়- তাহলে বুঝতে হবে আপনার যে সমস্যাটি হচ্ছে তার নাম প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন।

এ ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজন এ সমস্যায় আক্রান্ত হন। যদিও এটি একটি সাধারণ সমস্যা, যার চিকিৎসা রয়েছে; কিন্তু অনেক পুরুষ এ বিষয়ে তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে কিংবা চিকিৎসা নিতে সঙ্কোচ বোধ করেন।

একসময়ে ধারণা করা হতো, প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হলো সম্পূর্ণ মানসিক; কিন্তু বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে শারীরিক বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাতের সাথে পুরুষত্বহীনতার সম্পর্ক রয়েছে। আপনি আর দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা নিয়ে জীবন কাটাবেন না। বর্তমানে অনেক চিকিৎসা বেরিয়েছে- যেমন বিভিন্ন ওষুধ, মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও বিভিন্ন যৌনপদ্ধতির শিক্ষা। এগুলো বীর্যপাতকে বিলম্ব করে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর যৌনজীবনকে মধুর করে তুলবে। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা খুব ভালো কাজ করে।
উপসর্গ :- একজন পুরুষ বীর্যপাত করতে কতটা সময় নেবেন সে ব্যাপারে চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো আদর্শ মাপ নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হলো নারী-পুরুষ উভয়ের পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। এমনকি হস্তমৈথুনের সময়ও কিংবা শুধু অন্যের সাথে যৌনমিলনের সময়।

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়-
প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : এটি হলো আপনি যৌন সক্রিয় হওয়া মাত্রই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।
সেকেন্ডারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : এ ক্ষেত্রে আগে আপনার যৌনজীবন তৃপ্তিদায়ক ছিল, কিন্তু বর্তমানে দ্রুত বীর্যপাত ঘটছে।কারণ :-
কী কারণে দ্রুত বীর্যপাত হচ্ছে তা নিরূপণ করতে বিশেষজ্ঞরা এখন পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একসময় ধারণা করা হতো, এটা সম্পূর্ণ মানসিক ব্যাপার। কিন্তু বর্তমানে আমরা জানি, দ্রুত বীর্যপাত হওয়া একটি জটিল ব্যাপার এবং এর সাথে মানসিক ও জৈবিক দু’টিরই সম্পর্ক রয়েছে।

মানসিক কারণ :-
কিছু চিকিৎসক বিশ্বাস করেন, প্রাথমিক বয়সে যৌন অভিজ্ঞতা ঘটলে তা এমন একটি ধরনে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, পরবর্তী জীবনে সেটা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। যেমন-

লোকজনের দৃষ্টি এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি করে চরম পুলকে পৌঁছানোর তাগিদ।
অপরাধ বোধ, যার কারণে যৌনক্রিয়ার সময় হঠাৎ করেই বীর্যপাত ঘটে যায়। অন্য কিছু বিষয়ও আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:
পুরুষাঙ্গের শিথিলতা :- যেসব পুরুষ যৌনমিলনের সময় তাদের লিঙ্গের উত্থান ঠিকমতো হবে কি না তা নিয়ে চিন্তিত থাকেন কিংবা কতক্ষণ লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় থাকবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন, সেসব পুরুষের দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটে।

দুশ্চিন্তা :- দ্রুত বীর্যপাত হয় এমন অনেক পুরুষের দ্রুত বীর্যপাতের একটি প্রধান কারণ দুশ্চিন্তা। সেটা যৌনকাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করতে পারবেন কি না সে বিষয়ে হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে। বীর্যপাতের আরেকটি প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা।

জৈবিক কারণ :- বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, কিছুসংখ্যক জৈবিক বা শারীরিক কারণে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে:
  • হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা
  • মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান বা নিউরোট্রান্সমিটারের অস্বাভাবিক মাত্রা
  • বীর্যস্খলনব্যবস্থার অস্বাভাবিক ক্রিয়া
  • থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
  • প্রোস্টেট অথবা মূত্রনালীর প্রদাহ ও সংক্রমণ
  • বংশগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
খুব কম ক্ষেত্রে নিচের কারণগুলোর জন্য দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে-

সার্জারি কিংবা আঘাতের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হওয়া।
নারকোটিকস বা মাদক কিংবা দুশ্চিন্তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ট্রাইফ্লুপেরাজিন প্রত্যাহার করা এবং অন্য মানসিক সমস্যা থাকা।

যদিও বেশির ভাগ প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক দু’টি বিষয়ই দায়ী। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে দায়ী হলো শারীরিক কারণ যদি সেটা জীবনভর সমস্যা হয়ে থাকে (প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন)।


ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় :- বিভিন্ন বিষয় আপনার দ্রুত বীর্যপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন-

পুরুষাঙ্গের শিথিলতা :- যদি আপনার লিঙ্গ ঠিকমতো উত্থিত না হয়, কিংবা মাঝে মাঝে উত্থিত হয় কিংবা উত্থিত হলেও বেশিক্ষন উত্থিত অবস্থায় না থাকে তাহলে আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। যৌনসঙ্গমের সময় আপনার লিঙ্গের উত্থান অবস্থা বেশিক্ষণ থাকবে না, এমন ভয় আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজনের এ ধরনের লিঙ্গোত্থান সম্পর্কিত দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থাকে।

স্বাস্থ্য সমস্যা :- যদি আপনার এমন স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে যার কারণে আপনি যৌনমিলনের সময় উদ্বেগ অনুভব করেন, উদাহরণস্বরূপ যদি আপনার হৃদরোগ থাকে তাহলে দ্রুত বীর্যপাতের ঘটনা ঘটতে পারে।

মানসিক চাপ :-  আপনার জীবনে আবেগজনিত কিংবা মানসিক চাপ দ্রুত বীর্যস্খলনের ব্যাপারে ভূমিকা রাখে। 

কিছু কিছু ওষুধ :- কিছু ওষুধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটাতে পারে।

কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন :- বেশির ভাগ যৌনমিলনের সময় যদি আপনি আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর আকাক্সক্ষার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন তাহলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন। আপনার যৌনজীবন মধুর করতে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয় :- চিকিৎসক আপনার বিস্তারিত যৌন ইতিহাস জেনে তার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত বীর্যপাত রোগ নির্ণয় করেন। চিকিৎসক আপনাকে অনেক একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারেন এবং আপনার সঙ্গিনীকেও উপস্থিত থাকতে বলতে পারেন। যদিও সেক্স সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলতে আপনাদের দু’জনেরই অস্বস্তিবোধ হতে পারে তবুও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে চিকিৎসক আপনার সমস্যার কারণ নিরূপণ করতে সাহায্য করবেন এবং সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা দিতে পারবেন।

আপনার চিকিৎসক আপনার স্বাস্থ্যের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। তিনি আপনার সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা করতে পারেন। আপনার চিকিৎসক আপনার কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইতে পারেন :
  • কত দ্রুত আপনার বীর্যপাত ঘটে?
  • একজন বিশেষ সঙ্গিনীর বেলায় কি আপনার দ্রুত বীর্যপাত হয়?
  • আপনি যতবার যৌনমিলন করেন, ততবারই আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটে?
  • আপনি কতবার যৌনমিলন করেন?
  • দ্রুত বীর্যপাত আপনার যৌন আনন্দ লাভে এবং আপনার সার্বিক জীবনে কতটা বিরূপ প্রভাব ফেলে?
  • আপনার লিঙ্গ উত্থান হতে কিংবা দীর্ঘ সময় উত্থান অবস্থায় থাকতে কি সর্বদা সমস্যা হয়?
  • আপনি এ সমস্যার জন্য কী কী ওষুধ গ্রহণ করেন?
আপনার দ্রুত বীর্যপাতের কারণ উদঘাটন করতে আপনার কিছু মানসিক বিষয়ও জানা প্রয়োজন। 
চিকিৎসক আপনার নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন :
  • আপনার ধর্মীয় শিক্ষাদীক্ষা
  • আপনার প্রাথমিক যৌন অভিজ্ঞতা
  • আপনার অতীত ও বর্তমানের যৌনসম্পর্ক
  • আপনার বর্তমান সম্পর্কের মধ্যে কোনো সংঘর্ষ
যদি আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে থাকে এবং আপনার লিঙ্গোত্থানে সমস্যা হয়, তাহলে আপনার চিকিৎসক আপনার পুরুষ হরমোনের মাত্রা (টেস্টোস্টেরন) দেখার জন্য আপনার রক্ত পরীক্ষাসহ আরো কিছু পরীক্সা করতে দিতে পারেন।

জটিলতা :- যদিও দ্রুত বীর্যপাত আপনার মারাত্মক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ায় না, কিন্তু এটা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে ধস নামাতে পারে। যেমন-

সম্পর্কে টানাপড়েন :- দ্রুত বীর্যপাতের সাধারণ জটিলতা হলো যৌনসঙ্গিনীর সাথে সম্পর্কের অবনতি। যদি দ্রুত বীর্যপাতের কারণে আপনার সঙ্গিনীর সাথে মনোমালিন্য চলে, আপনি দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। আপনার চিকিৎসাপদ্ধতির মধ্যে দ্বৈত থেরাপিও থাকবে।

বন্ধ্যত্ব সমস্যা :- দ্রুত বীর্যপাত মাঝে মধ্যে আপনার বন্ধ্যাত্ব ঘটাতে পারে। যেসব দম্পতি সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন সেটা অসম্ভব হতে পারে। যদি দ্রুত বীর্যপাতের ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর দু’জনেরই বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

চিকিৎসা ব্যবস্থা :-  দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে:- সেক্সুয়াল থেরাপি, ওষুধপত্র ও সাইকোথেরাপি। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

সেক্সুয়াল থেরাপি :-  এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক আপনাকে বুঝিয়ে দেবেন যৌনমিলনের সময় আপনাকে কী করতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে যৌনমিলনের এক ঘণ্টা বা দুই ঘণ্টা আগে হস্তমৈথুন করতে পরামর্শ দেন অ্যালোপ্যাথ ডাক্তাররা। যাতে যৌনমিলনের সময় দেরি করে বীর্যপাত হয়। যদিও এটি কোন সুষ্ঠু সমাধান নয়। চিকিৎসক আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সময় যৌনমিলন থেকে বিরত থাকার কথা বলতে পারেন।

অন্য একটা পদ্ধতি রয়েছে, যা আপনার চিকিৎসক আপনাকে ও আপনার সঙ্গিনীকে শিখিয়ে দেবেন। এ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে কিছুটা আপনার দ্রুত বীর্যপাতের উন্নতি ঘটবে। এ পদ্ধতিকে বলে স্কুইজ পদ্ধতি। এটির চারটি ধাপ রয়েছে, যা আপনার সঙ্গিনী আপনার ওপর প্রয়োগ করবে। এ পদ্ধতি বারবার অনুশীলন করার পর আপনি বীর্যপাত ছাড়াই আপনার সঙ্গিনীর শরীরে প্রবেশ করতে পারবেন। এ পদ্ধতি ভালো করে অনুশীলন করলে ভবিষ্যতে আবার তা অনুশীলন করার প্রয়োজন হবে না। তখন আপনি দেরি করে বীর্যপাত করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন।

ওষুধসমূহ :-  দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসায় কিছু নির্দিষ্ট অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ও টপিক্যাল অ্যানেসথেটিক ক্রিম ব্যবহার করা হয়। তবে এসব ওষুধ কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। ওষুধ প্রথমে অল্প মাত্রা দিয়ে শুরু করতে হয়। তবে দ্রুত বীর্যপাত রোধ করতে প্রতিদিন ওষুধের সাহায্য নেবেন না। টপিক্যাল অ্যানেসথেটিক ক্রিম আপনার লিঙ্গের অনুভূতিকে ভোঁতা করে আপনার বীর্যপাত দেরিতে ঘটাতে সাহায্য করে। 

যৌনমিলনের কিছুটা আগে এসব ক্রিম লিঙ্গে মাখতে হয়। কিছু পুরুষ অভিযোগ করেন, ক্রিম ব্যবহারে তাদের যৌন আনন্দ কমে যায়। কিছু নারীও অভিযোগ করেন, তাদের পুরুষ সঙ্গীরা যখন এসব ক্রিম ব্যবহার করেন তখন তাদের যোনির সংবেদনশীলতা কমে যায়, পুরুষ সঙ্গীরা যৌন আনন্দ লাভ করলেও তারা তেমন যৌন আনন্দ লাভ করেন না।

সাইকোথেরাপি :- এটা হলো কাউন্সেলিং বা আপনার যৌনসমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের সাথে বিস্তারিত কথা বলা ও পরামর্শ গ্রহণ করা। এ ধরনের কথা বলায় আপনার দুশ্চিন্তা কমবে এবং সমস্যার উন্নতি ঘটবে। অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে শুধু সাইকোথেরাপির মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়া গেছে।

প্রতিরোধ :- কিছু কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে যৌনসঙ্গিনীর সাথে ঠিকমতো যোগাযোগ বন্ধন গড়ে না ওঠার কারণে। পুরুষ ও নারীর মধ্যকার যৌনকাজের পার্থক্য না বোঝার কারণে পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত ঘটে। চরম পুলকে পৌঁছতে পুরুষের তুলনায় নারীর দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রয়োজন হয় আর এই পার্থক্য একটা দম্পতির মধ্যে যৌন অসন্তুষ্টি ঘটাতে পারে। অনেক পুরুষ যৌনমিলনের সময় চাপ অনুভব করেন বলে দ্রুত বীর্যপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

নারী ও পুরুষ একে অপরকে খোলামেলা বুঝতে পারলে দু’জনের জন্যই যৌন আনন্দ লাভ করা সহজ হয়। এতে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তাও দূর হয়। যদি আপনি আপনার সঙ্গিনীর কাছ থেকে যৌনসুখ লাভ না করেন তাহলে তার সাথে খোলামেলা আলাপ করুন। আপনাদের মধ্যে সমস্যাটা কোথায় তা খুঁজে বের করুন এবং প্রয়োজনে অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাহায্য নিন। আপনাদের মধ্যকার আলোচনা আপনার চিকিৎসকের সামনেও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সব লজ্জা ও জড়তা ঝেড়ে ফেলে খোলা মনে আলাপ করুন।

দ্রুত বীর্যপাত হয় এমন অনেক পুরুষ হতাশা বোধ করেন। এমনকি লজ্জা ও অপমানে জর্জরিত হন। আপনার জানা উচিত, এ সমস্যা খুব সাধারণ এবং এর যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাও রয়েছে। যদি দ্রুত বীর্যপাতের কারণে আপনি বা আপনার সঙ্গিনী হতাশ হয়ে পড়েন তাহলে দ্রুত ভালো একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন, অবশ্যই আপনার যৌনজীবন আনন্দময় ও সুখের হয়ে উঠবে।

হোমিওপ্যাথিক সমাধান :- দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা সমাধানের জন্য সর্বাধুনিক, উন্নত এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা রয়েছে, যা এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং একবার আরোগ্য হলে তা আর দেখা দেয় না। তাই অন্তত একবার হলেও হোমিও চিকিত্সা নিয়ে দেখবেন আশা করি। আমরা নানান যৌন সমস্যায় আক্রান্ত হাজার হাজার রোগীকে চিকিত্সা দিয়ে আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে পুরিপূর্ণ সুস্থ করে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আপনিও যদি এ ধরনের কোনো সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে কোনো প্রকার সংকোচ না করে আপনার বিস্তারিত সমস্যা আমাদের জানাবেন আশা রাখি, আমরা আপনার অবস্থার আলোকে যথাযথ সমাধান দিব। আপনার সুস্থ, সুন্দর এবং আনন্দময় যৌন জীবনই আমাদের কাম্য। ভালো থাকবেন।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

পুরুষ লিঙ্গের দৈর্ঘ্য কী কী দ্বারা ঠিক হয় এবং লিঙ্গের সঠিক মাপ কিভাবে নেব?

অধিকাংশ পুরুষ বিশেষ করে তরুণ-যুবকরা কোনো না কোনো সময়ে লিঙ্গ নিয়ে নানা প্রকার চিন্তা করে থাকেন। অথচ লিঙ্গ ছাড়া আমাদের জীবনে আরো অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে সেগুলো নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা দরকার এবং সেগুলোতে সময় দেয়ার উচিত । এবার আসুন প্রশ্নগুলির দিকে তাকাই।

প্রশ্ন :- লিঙ্গের দৈর্ঘ্য কী কী দ্বারা ঠিক হয় ? 
উত্তর :- কার লিঙ্গ কত বড় হবে এটা সাধারণত তাদের বংশগত ব্যাপার। পূর্ব পুরুষদের নিকট থেকে কী কী গুণ পেল তা নির্দিষ্ট করে দেয় তার লিঙ্গের দৈর্ঘ্য কতটুকু হবে। কে কি রকম এবং কোন কোন গুণাবলী পাবে তা আগে থেকে বলা যায় না। জেনেটিক্সের ব্যাপারগুলো লটারির মতো- আগে থেকে বলা যায় না কিন্তু পেলে পরে বলা যায় কী পাওয়া গেল। কোনো একটা সন্তান তার বাবার দিকের ও মায়ের দিকের গুণাবলী পায়। কোন গুণাবলী পেল তার ওপর নির্ভর করেই ঠিক হয় চেহারা কেমন হবে, কতটা লম্বা-চওড়া হবে, হাত-পা দেখতে কেমন হবে। ঠিক তেমনি লিঙ্গ শরীরেরই একটা অংশ। তাই অন্যান্য অংশের মতো বংশগত গুণাবলী পাওয়ার ওপরই লিঙ্গের মাপ নির্ভর করে।

প্রশ্ন :-লিঙ্গের সঠিক মাপ কিভাবে নেব ?
উত্তর :- লিঙ্গের মাপ নেয়ার ব্যাপারে নানাজনে নানা রকম ধারণা দিয়েছেন। কেউ বলে ওপরে মাপো, কেউ বলে নিচের দিকে মাপো। কেউ বলে দাঁড়িয়ে মাপো, কেউ বলে শুয়ে মাপো। কিন্তু মাপলে তো লিঙ্গ বড় বা ছোট হবে না। লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও আকার নিয়ে চিন্তিত হয়ে কোনো পরিবর্তন আনা যায় না। সুতরাং চিন্তা না করাই ভালো। ছবিতে দেখুন এ ভাবে মাপ নিয়ে যদি আপনার লিঙ্গ উত্তেজিত অবস্থায় সর্বনিম্ন চার ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও চিন্তার কিছু নাই। 
কারণ স্ত্রীকে আনন্দ দিতে সর্বনিম্ন লম্বায় চার(4) ইঞ্চি লিঙ্গ হলেই যথেষ্ট। উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে 4.7 থেকে 6.3 ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি (কিভাবে মাপ নিবেন চিত্র দেখতে এখানে ক্লিক করুন)। কিন্তু লিঙ্গ বড় হলে অনেক মেয়েরাই যৌন মিলনে আনন্দ পাওয়ার বদলে কষ্ট অনুভব করে থাকে। তাই লিঙ্গের দৈর্ঘ্য, আকার আকৃতি নিয়ে কোনো প্রকার চিন্তা না করাই ভালো। যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন এবং অধিক আনন্দ লাভের জন্য যৌন মিলনের নানা প্রকার কলাকৌশল রপ্ত করার চেষ্টা করুন।
Share:

যৌন মিলন অধিকক্ষণ স্থায়ী করতে কিছু দরকারী পরামর্শ

আজকাল অধিকাংশ পুরুষ দীর্ঘক্ষণ যৌন মিলন করা তো দুরের কথা যেটুকু সময় তার স্ত্রীকে আনন্দ দিতে প্রয়োজন সে সময়টুকুও তারা মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না। যদিও এর পেছনে রয়েছে বহুবিধ কারণ। তবে যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তারা নিম্নলিখিত টিপসগুলো অনুসরন করে লাভবান হতে পারেন যদি অন্য কোন যৌন সমস্যায় আক্রান্ত না হয়ে থাকেন।

সহবাস বা যৌন মিলনের আগে করণীয় :-
  • যৌন মিলন শুরু করার আগে মন শান্ত করতে হবে৷ মনে কোন প্রকার নেগেটিভ ভাবনা আনা যাবে না৷ একটি বিষয় অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে - স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ হল তাদের শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা৷
  • নিজেকে শারীরিক মিলেনর জন্য শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তৈরি করুন৷ সকল প্রকার মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমিয়ে আনুন৷
  • স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে যৌন মিলন থেকে বিরত থাকুন৷ স্ত্রী সাথে আপনার মনের ভাবনা গুলি শেয়ার করুন - যে আপনার শারীরিক ও মানসিক পরিস্থিতি সরল করতে সাহায্য করবে৷
  • কনডম ব্যবহার করতে পারেন৷তবে অনেক পুরুষরাই অভিযোগ করছেন যে -কনডম ব্যবহারের ফলে তাদের যৌন আকাঙ্খা হ্রাস হচ্ছে৷ তবে এটি মনের ভুল ছাড়া আর কিছুই নয়৷
  • তামাক, মদ ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌনতার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে৷ এইগুলি পরিহার করে চলা উচিত। 
সহবাস বা যৌনমিলনের সময় করণীয় :-
  • যৌনমিলনের আগে কোন মতেই ফোর প্লে বাদ দেবেন না৷ দরকার হলে অধিক সময় নিয়ে ফোর প্লে করুন। 
  • আসন পরিবর্তন করুন৷ নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে৷ সঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন৷
  • সহবাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোন কারণ নেই৷
  • ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত থাকবে৷
Share:

যৌন জীবনে পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তির বৈজ্ঞানিক কিছু উপায়

যৌন জীবনে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের অসুখী হওয়ার হার অনেক বেশি। এমনকি নিজের ভালোবাসার পুরুষটির সঙ্গেও যৌন জীবন নিয়ে খুশী নন অনেক মহিলাই। মুখে প্রকাশ না করলেও মনের মধ্যে ক্ষোভ নিয়ে জীবন যাপন করেন, মুখ ফুটে অনেকে বলতে পারেন না যৌন জীবনে নিজের অসুবিধার কথা। কিন্তু এরকম কেন? কেন অনেক নারী যৌন জীবনে অসুখী ও অতৃপ্ত? ভুল ধারণা এবং অজ্ঞতা যৌন জীবনে অসুখী রয়ে যাওয়ার মূল কারণ। সঙ্গে পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষার অভাব। যৌনতা যে কেবল সন্তান উৎপাদনের মাধ্যম নয়। নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্য একটি আনন্দের ব্যাপার। এই বিষয়টি সম্পর্কে আজও অজ্ঞ প্রচুর নারী। কী করতে হবে কিংবা কীভাবে করলে আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে যৌন মিলন। সেটা জানা নেই বলে তারা রয়ে যান অসুখী ও অতৃপ্ত। 

১. নিজেকে বুঝতে না পারা আসলে কী চাইছেন? তার শরীর কোন ডাকে কীভাবে সাড়া দিচ্ছে। কোন অঙ্গগুলো যৌনতার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর কিংবা নিজের শরীরের চাহিদাগুলো কী কী ইত্যাদি বিষয়ে অজ্ঞতা এবং বুঝতে না পারাও যৌন জীবনে অসুখী হবার একটি বড় কারণ। 

২. কি চাই সেটা বলতে না পারা নিজের চাহিদাও জানেন, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছেন না নিজের ভালো লাগা না লাগার কথা। নারীদের যৌন জীবনে অতৃপ্ত থাকার অন্তরালে এটা একটি বিশেষ কারণ। এমনকি তিনি যে যৌন জীবনে সুখী নন এটাও পুরুষ সঙ্গীকে মুখ ফুটে বলতে পারেন না অনেক নারী।

৩. লজ্জা এবং সংকোচ অনেক নারী মনে করেন যে মেয়েদের যৌনতার কথা বলতে নেই, কিংবা মেয়েদের যৌনতার বিষয়টি নিয়ে কথা বলা কিংবা যৌন চাহিদা প্রদর্শন করার বিষয়টি খুবই লজ্জার। তাই মনের ইচ্ছা মনে চেপে রাখেন তারা। 

৪. পুরুষ সঙ্গীর স্বার্থপরতা বেশির ভাগ পুরুষ নিজের সঙ্গিনীর যৌন চাহিদা পূরণের ব্যাপারে মনযোগী নন। বরং নিজের চাহিদা মিটে গেলে তারা স্বার্থপরের মত আচরণ করতে শুরু করেন. এটা নারীদের অতৃপ্ত থাকার একটি বড় কারণ। 
৫. শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা নিয়ে সংকোচ যৌনতায় আগ্রহ নেই কিংবা যৌনতা ঘিরে কোনো শারীরিক সমস্যা বোধ করছেন। এমন অবস্থায় ডাক্তারের কাছে যান না অধিকাংশ নারী। ফলে সামান্য একটু চিকিৎসার অভাবে তাদের যৌন জীবন রয়ে যায় বিভীষিকাময়। 

৬. যৌনতা ঘিরে ভয় অনেক নারীর মাঝে যৌনতা বিষয়ে নানান রকমের ভীতি কাজ করে. ফলে এই বিষয়টি সম্পর্কে তারা কখনও সহজ মনোভাব পোষণ করতে পারেন না। চিরকাল বিষয়টি নিয়ে আড়ষ্টতা রয়ে যায়।
Share:

পুরুষের কামনা (যৌন উত্তেজনা) বাড়ায় যেসব খাবার!

অনেকেই অকালেই হারিয়ে ফেলছেন নিজের সক্ষমতা। এতে উঠতি বয়সের যুবকদের অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ছেন। লজ্জায় কাউকে বলতে পারছেন তার একান্ত সমস্যা। এ কারণে বাড়ছে দাম্পত্যে অশান্তি, সন্তানহীনতার হার। বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও বলতে হবে, এর কারণে বাড়ছে ডিভোর্সও।

সমস্যা সমাধানের আগে জানা দরকার পুরুষদের ক্রমশ শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার পেছনে কারণ কি?

চিকিৎসকের মতে, আপনার নিজের কোনও একটা ভুল হয়তো আপনাকে ক্রমশ ঠেলে দিচ্ছে পুরুষত্বহীনতার দিকে। পুরুষদের রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়া বা শিরায় যথেষ্ট রক্ত ধারণ করতে না পারাটাও এসব সমস্যার জন্ম দেয়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক যেসব পরিবর্তন হয় তাতে প্রভাব পড়তে পারে। কিছু রোগ যেমন- ডায়াবেটিস, স্থূলতা, প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, হরমোনের সমস্যায় দাম্পত্য জীবনে প্রভাব ফেলে। ধূমপানও অঙ্গের উত্থান ব্যাহত করে।

শুধু তাই নয় কিছু ওষুধ পুরুষের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়- যেমন মানসিক রোগের ওষুধ, স্টেরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ওষুধ, নেশা উদ্রেককারী ওষুধ ও এলকোহল সেবন পুরুষত্বে সমস্যা হয়। শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ডে আঘাতেও সমস্যা হতে পারে।

তাই সময়ের আগেই সাবধান হয়ে যান। আর ভূয়া চিকিৎসা নয়, প্রকৃত জটিল কোনও সমস্যা না থাকলে আপনার গোপন শক্তি বৃদ্ধির জন্য কোনও প্রকার ওষুধের প্রয়োজন নেই। এর জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিকর খাবারই যথেষ্ট।

এসব খাবার শুধু আপনার কামনা বাড়ায় না, দেহের মাংসপেশি সুদৃঢ় করে আপনাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।

তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নেয়া যাক, গোপন শক্তি বাড়াতে কি কি খাবার আপনাকে সাহায্য করবে?

বাদাম : চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদামে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরি করে। সেক্স হরমোনগুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এ কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ডিম : ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

পনির : পনিরে রয়েছে উচ্চ মাত্রার ক্যাসেইন যা রক্তের অ্যামিনো এসিডের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও এতে রয়েছে ভালো ব্যাকটেরিয়া যা আপনার দেহে পুষ্টি যোগায়। মাত্র আধা কাপ পনিরে রয়েছে ১৪ গ্রাম প্রোটিন এবং মাত্র ৮০ ক্যালরি। সুতরাং আপনার কামনা বাড়াতে ও মাংসপেশি বৃদ্ধি করতে পনিরের বিকল্প খাবার নেই। তাই আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় পনির রাখুন।
ছোলা : রমজান মাস ছাড়া ছোলা আমাদের খুব একটা খাওয়া হয় না। কিন্তু আপনার গোপন শক্তি বাড়াতে আজ থেকেই ছোলা খাওয়া শুরু করুন। উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবারটির মাত্র ১ কাপ পরিমাণে রয়েছে ৪৫ গ্রাম স্লো আক্টিং কার্ব এবং ১২ গ্রাম ফাইবার।

গরুর মাংস: অ্যামিনো অ্যাসিড, বি ভিটামিন এবং ক্রিয়েটিনে চরপুর গরুর মাংসকে ধরা হয় মাংসপেশি গঠনের সব চাইতে কার্যকরী খাবার। মাত্র ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে রয়েছে ২৭ গ্রাম প্রোটিন, ১১ গ্রাম ফ্যাট ও ২শ' ক্যালরি। আর আপনার একান্ত গোপন সমস্যা খুব সহজেই সমাধান করবে এই খাবার।

ডাল : মাত্র এক কাপ রান্না করা ডালে রয়েছে ১৮ গ্রাম প্রোটিন ও বেশী মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট। এটা আপনার গোপন শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি মাংসপেশিও বৃদ্ধি করে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

যৌনসুখ বাড়াতে ভায়াগ্রার ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ - সতর্ক হন !!

প্রথমেই জেনে রাখা ভালো, ভায়াগ্রা একটি ট্রেড নেম বা নির্দিষ্ট একটি ওষুধের রাসায়নিক নামকরণ। এর মূল উপাদান সিলডেনাফিল সাইট্রেট। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ব্যবহার করা হলেও তাতে আশাপ্রদ ফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু গবেষণা চলাকালীন দেখা যায়, পুরুষ রোগীদের লিঙ্গ উত্থানের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হচ্ছে। কিন্তু যৌনসুখ বাড়াতে ভায়াগ্রা ব্যবহার করা হলেও এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

মূলত অনিচ্ছুক মসৃণ কোষের শিথিলতার সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং পুরুষাঙ্গে রক্ত চলাচলের হার বাড়ানোই ভায়াগ্রার কাজ। তবে শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গই নয়, গোটা শ্রোণী এলাকাতেই রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ভায়াগ্রা। এর ফলে পুরুষ্যত্বহীন রোগী যৌন উত্তেজনা অনুভব করেন এবং তাদের পুরুষাঙ্গ উত্থিত হয়। পুরুষদের পাশাপাশি অনেক মহিলাও ভায়াগ্রা সেবন করেন। এতে তাদের কাইটরিসে রক্ত সঞ্চালন ঘটে এবং তারা বিপুল উত্তেজনা অনুভব করেন। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, শতকরা ৮৮ ভাগ ক্ষেত্রে যৌনতায় অক্ষম পুরুষ ভায়াগ্রা ব্যবহার করে ফল পেয়েছেন। শুধু লিঙ্গ উত্থানের সমস্যাই নয়, এই অবস্থা ধরে রাখতেও ভায়াগ্রার ভূমিকা প্রশ্নাতীত। এর প্রয়োগে যৌন সুখের সময়সীমা বৃদ্ধি হয় বলেও প্রমাণিত।

ভায়াগ্রার ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ :- ভায়াগ্রা ব্যবহারের আগে কয়েকটি ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি। চিকিত্‍সকদের মতে, হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকলে এই ওষুধ প্রয়োগ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই কারণে ভায়াগ্রা ব্যবহারের আগে দেখে নিতে হবে রোগীর কোন হৃদযন্ত্র জনিত সমস্যা রয়েছে কিনা। সাধারণত, হার্ট ফেইলিয়র, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, হার্টের মায়োকার্ডিয়ামে সংক্রমণ, অত্যধিক বা অত্যন্ত কম রক্তচাপের সমস্যা থাকলে চিকিত্‍সক এই ওষুধ ব্যবহার করতে নিষেধ করেন। এ ছাড়া জিভের নীচে রাখার গ্লিসারিন টাইনাইট্রেটস ট্যাবলেট, স্প্রে, ডাইনাইট্রেটস ইত্যাদি ওষুধের সঙ্গেও ভায়াগ্রা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন চিকিত্‍সকরা। বাজারে প্রচলিত অর্গ্যানিক নাইট্রেটস যেমন নাইট্রোগ্লিসারিন, আইসোসরবাইটডাইনাইট্রেটস, নাইটোডুর, নাইটোপেস্ট এবং আইসোবিউটাল নাইট্রেট সমৃদ্ধ ওষুধ নিয়মিত ব্যবহার করলেও ভায়াগ্রা সেবন করা মানা। 
ভায়াগ্রার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে মতান্তর রয়েছে। তবে প্রচলিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে মাথাব্যথা, মুখমণ্ডল রক্তবর্ণ ধারণ করা এবং দৃষ্টি জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানা গিয়েছে। বেশি মাত্রায় ভায়াগ্রা ব্যবহারে চোখের নানা সমস্যা দেখা দেওয়া বিরল নয়। 

যৌন সমস্যার হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা :- যেকোন যৌন সমস্যার মূলে রয়েছে অবশ্যই একটি কারণ। এই কারণটি নির্ণয় করে যথাযথ চিকিত্সার মাধ্যমে যৌন সমস্যাটি চিরতরে নির্মূল করাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ। আর পুরুষ এবং মহিলাদের যেকোনো যৌন সমস্যা চিরতরে নির্মূলের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ সৃষ্টিলগ্ন থেকে নানা প্রকার যৌন রোগসমূহকে চিরতরে নির্মূলের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোনো চিকিত্সা বিজ্ঞানই তেমন কোনো সুবিধা করে উঠতে পারে নি। কারণ অন্যান্য চিকিত্সা পদ্ধতিতে ঔষধের রয়েছে মারাত্মক সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা হোমিওপ্যাথিতে নেই বললেই চলে। যৌন দুর্বলতায় ভায়াগ্রার মত ক্ষতিকর ঔষধ তো দুরের কথা অন্য যে কোনো প্রকার উত্তেজক ঔষধ খাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন। আর যেকোন প্রকার যৌন সমস্যায় সর্বাধিক কার্যকর হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা গ্রহণ করে চিরদিনের জন্য ঐ সমস্যা থেকে মুক্ত হন। ধন্যবাদ।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

যে জিনিস পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কমিয়ে দেয়

আপনি জানেন কি ? মিষ্টি পানীয় আপনার বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে থাকে ! বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসকেরা মনে করছেন অতিরিক্ত মিষ্টি বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় পানীয়গ্রহনের ফলে কমে যেতে পারে পুরুষের বীর্যের শুক্রাণুর পরিমাণ৷ মিষ্টি জাতীয় পানীয় বলতে চিকিৎসকরা সোডা, ভোদকা কিম্বা জিনের মতো অ্যালকোহলকেই দিকেই প্রথম ইঙ্গিত করেছেন৷

সম্প্রতি এক গবেষণার মধ্যে দিয়ে দেখা গিয়েছে যে অ্যালকোহল গুলিতে সুগারের পরিমাণ বেশি থাকে সেগুলো বেশি পান করা হলে পুরুষদের শুক্রানু-র পরিমাণ হ্রাস পেতে পারে৷

বিশেষ করে খেলোয়াড়দের বেশি সর্তক করতে চান চিকিৎসকেরা৷ কারণ কিছু স্পোটর্স ড্রিঙ্কেও সুগারের পরিমাণ বেশি থাকায় ক্ষতি হরে পুরুষের যৌনতায়৷ এমনকি শক্তি বর্ধক যে কোনও পানীয়তেই এই সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে মনে করছেন দেশি-বিদেশি চিকিৎসকেরা৷ সুতরাং, চির যৌবন, যৌনতা, পুরুষত্ব অটুট রাখতে মিষ্টি ছাড়ুন, বীর্যবান সুপুরুষ হয়ে যৌবন উপভোগ করুন৷  তবে যৌন সংক্রান্ত যে কোন সমস্যায় যোগাযোগ করুন - যৌন এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের সাথে।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

পুরুষদের যৌন জীবনের উন্নয়নে কেজেল ব্যায়াম/কেগেল ব্যায়ামের ভূমিকা

অনেকেই ভাবেন কেজেল ব্যায়াম/কেগেল ব্যায়াম (Kegel exercises) শুধু মহিলাদের জন্য হয়। কিন্তু তা পুরুষদের যৌন জীবনের উন্নয়নেও ভালো ভুমিকা রাখে। মহিলারা এই ব্যায়াম থেকে যতটা সুবিধা লাভ করতে পারেন, পুরুষরাও ঠিক ততটা সুবিধা নিতে পারবেন। কেগেল ব্যায়াম শ্রোণী মেঝের পেশী সুসংগঠিক করে মূত্রসংবহনতন্ত্র, বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথের কার্যপ্রণালী জোরদার করে এবং যৌনক্রিয়া ক্ষমতাকে উন্নিত করতে পারে। মহিলাদের মত পুরুষেরাও যখন তখন এই ব্যায়াম করতে পারেন। কিন্তু সবারই উচিত ব্যায়ামটি করার আগে সঠিক মাংশপেশী সনাক্তকরণ এবং সঠিক পন্থা জেনে নেয়া।

পুরুষদের জন্য কেজেল ব্যায়ামের উপকারিতা:- শ্রোণী মেঝের পেশী অনেক কারণে ক্ষতিগ্রস্থ বা দূর্বল হয়ে যেতে পারে। যেমন প্রোস্টেড গ্রাণ্ডে টিউমার বা অন্য কোনো সার্জারী, ডায়াবেটিস ইত্যাদি। কেজেল ব্যায়াম পুরুষদের পেলভিস ফ্লোরের মাসল শক্তিশালী করে যখন তখন প্রস্রাবের বেগ, ঠিক মতো প্রস্রাব না হওয়া সহ আরো অনেক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষদের জন্য কেজেল ব্যায়াম যৌনমিলনের সময় লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা, অকাল বীর্যপাত, দ্রুত বীর্যপাতের মত সমস্যারও সমাধান দিতে পারে।

পুরুষেরা কিভাবে কেজেল ব্যায়াম করবেন:- পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাত শ্রোণী মেঝের পেশী খুঁজে বার করা এবং সেটা কিভাবে সংকুচন/প্রসারন করবেন- সেটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব কিছু নয়।

১. সঠিক পেশী খুঁজে নিন:- পেটে বায়ু জমলে সেটা বের হয়ে যাওয়া রোধ করতে গেলে বা প্রস্রাব করা কালে হঠাত প্রস্রাব বন্ধ করে দিলে পেটের নিম্ন ভাগে পিছনের দিকে যে পেশীগুলো আঁটসাঁট হয়ে যায় সেগুলোই পেলভিস ফ্লোর মাসল অর্থাত শ্রোণী মেঝের পেশী। আয়নায় দেখলে দেখবেন লিঙ্গ কিছুটা তলপেটের কাছাকাছি চলে আসে এবং অণ্ডথলি উপরের দিকে উঠে আসে।
২. পন্থা/পদ্ধতি/টেকনিক সঠিককরণ:- ব্যায়ামের আগে ঠিকমতো প্রস্রাব করে নেবেন। প্রথম দিকে উচিত হবে মেঝেতে শুয়ে এই ব্যায়াম করা। মেঝেতে শুয়ে পেলভিস ফ্লোর মাসল ৩ সেকেণ্ড সংকুচন করে রাখুন, তারপর ৩ সেকেণ্ড প্রসারণ করে রাখুন। এভাবে টানা কয়েকবার করবেন। তবে খুব বেশী না। মাসল ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে শুরু করলে বসে, দাঁড়িয়ে বা চলন্ত অবস্থায়ও করতে পারবেন।

৩. মনোযোগ বজায় রাখুন:- ভালো ফলাফলের জন্য যখন সংকুচন করবেন তখন গভীর ভাবে মনোযোগ দিয়ে করবেন। অনেকেই ভুল করে পেটের বা তলপেটের, উরু, এবং নিতম্বের পেশী সংকুচন করে ফেলেন। এটা ঠিক নয়। দম বন্ধ বা ধরে রাখবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন।

৪. কতবার করবেন :- প্রত্যহ ৩ টা সময় (যেমন সকালে দুপুরে বিকেলে) চেষ্টা করবেন। প্রতিবার ১০ রেপস্-এর (repetitions) ৩ সেট করবেন। (৩ সেকেণ্ড সংকুচন + ৩ সেকেণ্ড প্রসারণ = ১ রেপ। ১০ রেপ = ১ সেট)

মাঝে মাঝে অন্য কাজের সময় (যেমন দাঁত মাজা) এটা প্রাকটিস করে নিতে পারেন। তলপেটে চাপ পড়ে এমন কিছু কাজকর্মের সময়ও (যেমন হাঁচি, কাশি, হাসা, ভারী বস্তু উত্তোলন) আপনার পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন হতে পারে। এছাড়া যৌনমিলনের সময় পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন করে লিঙ্গ আরো অধিকক্ষণ উত্থিত রাখতে পারেন বা অকাল বীর্যপাত রোধ করতে পারেন।

সমস্যা হলে কি করবেন:- ব্যায়াম করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে সাহায্য চাইলে কার্পণ্য বা লজ্জা করবেন না। নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা বা ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন যাতে তারা আপনাকে সঠিক পেশী সনাক্তকরণ এবং ব্যায়ামের পদ্ধতি শিখিয়ে দিতে পারেন।

কিছু ক্ষেত্রে biofeedback প্রশিক্ষণ সাহায্য করতে পারে। এই ধরণের সেশনে, ডাক্তার বা অন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা মলদ্বার দিয়ে একটি Monitoring Probe প্রবেশ করিয়ে পুরো ব্যাপারটা মনিটরে পর্যবেক্ষণ করেন। পেলভিস ফ্লোর মাসল সংকুচন করার পর একটা মনিটরে দেখা যাবে যে আপনি সঠিক পেশী সংকুচন করতে পারছেন কিনা, এবং পারলে কতক্ষণ পারছেন।

কখন ফলাফল পাবেন:- নিয়মিত কেজেল ব্যায়াম করলে ৩ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাবের সমস্যা দূর হয়ে যেতে পারে। লিঙ্গ উত্থানের সমস্যা সমাধান হতে ৩ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। অব্যাহত সুবিধার জন্য এই ব্যায়াম প্রত্যহ করে যাওয়া উচিত।
Share:

আমার বিবাহ হয়েছে ১৬ মাস, আমার সমস্যা হচ্ছে, আমার ফিলিংস আসে কম এবং খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়।

সম্মানিত পাঠকের প্রশ্ন :- ভাই, আমার বিবাহ হয়েছে ১৬ মাস, আমার সমস্যা হচ্ছে, আমার ফিলিংস আসে কম এবং খুব তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়। আমার বয়স ৩২ বছর। উচ্চতা ৫'৫"। ওজন ৬৭ কেজি। বিয়ের পুরবে হস্তমৈথুন এর অভভাস ছিল। আর কোন ধরনের বাজে অভ্যাস নেই। সমাধান সম্ভব কিনা? আর কতদিন এ ভালো হতে পারে। আমি এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিয়েছি। ওষুধ যতদিন খাই মোটামুটি কাজ হয়। বন্ধ করলে কাজ হয়না।

আমাদের ফেইসবুক পাতায় প্রশ্নটি করেছিলেন আমাদের সম্মানিত একজন পাঠক ভাই। বিষয়টা নিয়ে এখানে লেখার কারণ হলো, এ সমস্যাটা আমাদের দেশে প্রায় সার্বজনীন অর্থাৎ আমাদের এই ভাই একাই শুধু এ রকম সমস্যায় আক্রান্ত নন। ওনাকে অনেক ধন্যবাদ কমেন্টটি করার জন্য। আর আমি আশা করি ওনার কমেন্টটির জন্য আরো লাখ লাখ তরুণ উপকৃত হবেন।

উত্তর :- ধন্যবাদ আমার ভাই, কমেন্টটি করার জন্য। আপনাদের কাছে অনুরোধ মেহেরবানী করে আমাদের ব্লগের সবগুলি আর্টিকেল সময় করে একবার পড়ে নিবেন। তখন দেখবেন আপনাদের অনেকের সমস্যা এমনিতেই ঠিক হয়ে গেছে। আমার ভাই, আপনি যে সমস্যাটি নিয়ে লিখেছেন, আমরা বার বার বলে আসছি-
"যৌন শক্তি বাড়ানোর জন্য বিবাহিত পুরুষের কোনো প্রকার উত্তেজক ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ স্বাভাবিক খাবার দাবার থেকেই প্রতিটা পুরুষ তার যৌন শক্তি লাভ করে থাকে।"
আর আপনার যে সমস্যাটি সেটা অপ্রাকৃতিক উপায়ে তৈরী করা। আপনি যদি এ অবস্থায় যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য ঔষধ খেতে থাকেন তাহলে আপনাকে সারা জীবন তা খেয়ে যেতে হবে। কিন্তু প্রবলেম হলো কিছু দিন পরই তা আর আপনার শরীরে কাজ করবে না। সাথে লিভার, হার্ট এবং কিডনিতে দেখা দিবে নানান জটিলতা। তাই ভুল করেও আর ঐ পথে হাত বাড়াবেন না। 
এবার আসেন কিভাবে সমস্যাটা নির্মূল করবেন। হোমিওপ্যাথি আপনার যৌনশক্তি বাড়াবে না। হোমিওপ্যাথি যে কোনো সমস্যার কারণটাকে তার মূল থেকে নির্মূল করে দেয় আর তখন অটোমেটিক ভাবেই রোগটি চিরদিনের জন্য শরীর থেকে দূর হয়ে যায়।

আপনারা হয়ত জানেন মানুষের শরীর হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর সবচেয়ে জটিল এক মেশিন। যখন আপনি হস্তমৈথুন করতেন না তখন কিন্তু আপনি ঠিকই ছিলেন। দীর্ঘ দিন এই কাজটি করার কারণে আপনার শরীরে যৌন দুর্বলতা সমস্যাটা সৃষ্টি হয়েছে যেটি স্বাভাবিক খাবার দাবার থেকে ফিল আপ করতে পারছে না। এখন দরকার সমস্যাটার মূল কারণটাকে তার রুট লেভেল থেকে দূর করে দেয়া। তখন দেখবেন আপনার মেশিন (শরীর) আগের মতই সঠিক ভাবে কাজ করছে। তার জন্য আর কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ারই দরকার নেই। মাত্র কয়েক মাসের প্রপার হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিলেই দেখবেন, আবার নব যৌবনে ভরে উঠেছে আপনার যৌন জীবন। আর আপনারা সুখে থাকেন, আনন্দে থাকেন এটাই আমাদের কামনা। 
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধির ১০০% কার্যকর প্রাকৃতিক উপায়

প্রিয় পাঠক, আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন না – প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে যৌন স্বাস্থ্য সমস্যার অনেক সমাধান। প্রতিদিন খাবার তালিকায় কিছু পরিবর্তন নিয়ে এলেই স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন লাভ করবেন খুব সহজেই। আসুন জেনে নেই যৌন স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এমন কিছু খাবারের কথা।

ডিম (Egg):- ডিম সেদ্ধ হোক কিংবা ভাজি, সব ভাবেই ডিম যৌন স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার। ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৫ ও বি-৬ আছে যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম রাখুন। এতে আপনার শরীর শক্তি পাবে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

কলিজা :- পুরুষের যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজারও অনেক প্রভাব রয়েছে। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে।

যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন। তাই মাঝে মাঝে কলিজা খাওয়ার চেষ্টা করুন।

মধু (Honey):- আবু নাঈম হযরত আয়েশা (রায়িঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল­াম এর নিকট মধু খুব বেশী প্রিয় ছিল। আল্লাহর রাসুলের(স.) নিকট মধু এ জন্য বেশী প্রিয়ছিল যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, এর মধ্যে মানব জাতির রোগ নিরাময় রয়েছে। মধুর রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা। সকালে খালি পেটে জিহ্বা দ্বারা মধু চেটে খেলে কফ দূর হয়, পাকস্থলী পরিস্কার হয়, দেহের অতিরিক্ত দূষিত পদার্থ বের হয়, গ্রন্থ খুলে দেয়, পাকস্থলী স্বাভাবিক হয়ে যায়, মস্তিস্ক শক্তি লাভ করে, স্বাভাবিক তাপে শক্তি আসে, রতি শক্তি বৃদ্ধি হয়, মূত্রথলির পাথর দূর করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক হয়, গ্যাস নির্গত হয় ও ক্ষুধা বাড়ায়।

প্যারালাইসিসের জন্যও মধু উপকারী। মধু হাজারো রকম ফুল ও দানার নির্যাস। দুনিয়ার সকল গবেষকগণ একত্রিত হয়ে এমন নির্যাস প্রস্তুত করতে চাইলেও কখনো বানাতে পারবে কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এটা শুধু মহান আল্লাহ পাকেরই শান যে, তিনি বান্দার জন্য এমন উত্তম ও বিশেষ উপকারী নির্যাস সৃষ্টি করে দিয়েছেন।
দুধ (Milk):- যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং যৌবন ধরে রাখতে দুধের ভূমিকা অতুলনীয়। বিশেষ করে ছাগলের দুধ পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে অসাধারণ ভুমিকা রাখে। আবু নাঈম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি।) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (স.) এর কাছে পানীয় দ্রব্যের মধ্যে দুধ সবচেয়ে বেশী প্রিয় ছিল। এর রহস্য হলো এই যে, দুধ রতিশক্তি সৃষ্টি করে দেহের শুস্কতা দূর করে এবং দ্রুত হজম হয়ে খাদ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়ে যায়, বীর্য সৃষ্টি করে, চেহারা লাল বর্ণকরে, দেহের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং মস্তিস্ক শক্তিশালী করে।

কলা (Banana):- কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ব্রুমাইল্ড এনজাইম। এইসব উপাদান পুরুষদের যৌন আসক্তি বাড়াতে দারুন কার্যকরী। তাই কলাকেও বাদ রাখবেন না।

বাদাম ও বিভিন্ন বীজ (Peanut) :- কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট আছে এবং এগুলো শরীরে উপকারী কোলেস্টেরল তৈরী করে। সেক্স হরমোন গুলো ঠিক মতো কাজ করার জন্য এই কোলেস্টেরল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই প্রতিদিন অল্প করে হলেও বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনার যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

চিনি ছাড়া চা (Tea without Sugar):- প্রতিদিন দুধ-চিনি ছাড়া চা পান করলে শরীরে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। চা ব্রেইন কে সচল করে, রক্ত চলাচল বাড়ায় ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। প্রতিদিন অন্তত দিন থেকে ৫ কাপ পর্যন্ত চিনি ছাড়া সবুজ চা বা রঙ চা খেলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং শরীরের ওজন কিছুটা হলেও কমে যায়।

রঙিন ফল (Fruits):- যৌন স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন খাবার তালিকায় রঙিন ফলমূল রাখুন। আঙ্গুর, কলা, কমলা লেবু, তরমুজ, পিচ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাসের মেডিকেল টিমের গবেষণা অনুযায়ী একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকলে তার স্পার্মের কোয়ালিটি উন্নত হয়। আবার টেক্সাসের A&M ইউনিভার্সিটির মতে তরমুজ শরীরে যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি করে। তারা যৌন উদ্দীপক ওষুধ ভায়াগ্রার সাথে তরমুজের তুলনা করেছেন।

রসুন:- ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী (রহ.) “জামউল জাওয়ামে” নামক গ্রন্থে দায়লামী থেকে একটি বর্ণনা উদৃত করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, হে লোক সকল! তোমরা রসুন খাও এবং তদ্দারা চিকিতসা করাও। কারণ, এতে রোগ নিরাময় হয়। রসুনে অনেক উপকারিতা রয়েছে। রসুন ফোড়া ভালো করে, ঋতুস্রাব চালু করে, প্রস্রাব স্বাভাবিক করে, পাকস্থলী থেকে গ্যাস নির্গত করে, নিস্তেজ লোকদের মধ্যে যৌন ক্ষমতা সৃষ্টি করে, বীর্য বৃদ্ধি করে, গরম স্বভাব লোকদের বীর্য গাঢ় করে, পাকস্থলী ও গ্রন্থর ব্যাথার উপকার সাধন এ্যাজমা এবং কাঁপুনি রোগেও উপকার সাধন করে। তবে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অধিক রসুন ব্যাবহার ক্ষতিকর। এই রসুনকে আবে হায়াত বলেও আখ্যা দেয়া হয়।

তৈলাক্ত মাছ:- তৈলাক্ত মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড DHA O EPA শরীরে ডোপামিন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিষ্কে উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে। তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং গ্রোথ হরমোনের নিঃসরন হয়। ফলে যৌন স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পালং শাক ও অন্যান্য সবজি :- পালং শাকে আছে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। জাপানের গবেষকদের মতে শরীরে রক্ত চলাচল বাড়লে যৌন উদ্দীপনাও বাড়ে। পালং শাক ও অন্যান্য বিভিন্ন রকম শাক,ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি এগুলোতে রয়েছে ফলেট, ভিটামিন বি সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান। সূত্র: ইন্টারনেট-
Share:

সাম্প্রতিক আপডেট

Latest Stories

Copyright © Ultimate Health Solutions