কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে প্রায়! ডাক্তার বলছে ডায়ালাইসিস করতে হবে ? জানেন কি এর চেয়েও ভালো এবং নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে বাংলাদেশেই।

কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে প্রায়! ডাক্তার বলছে ডায়ালাইসিস করতে হবে ? জানেন কি এর চেয়েও ভালো এবং নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে বাংলাদেশেই। কিডনি যখন নিজস্ব কোনো রোগে আক্রান্ত হয়, অথবা অন্য কোনো রোগে কিডনি আক্রান্ত হয়, যার ফলে কিডনির কার্যকরতা তিন মাস বা ততধিক সময় পর্যন্ত লোপ পেয়ে থাকে, তখন তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে যদি কিডনি রোগ ছাড়াও কিডনির কার্যকরতা লোপ পায়, তাহলেও তাকে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বলা যেতে পারে। যেমন, ক্রনিক নেফ্রাইটিস কিডনির ফিল্টারকে আক্রমণ করে ক্রমান্বয়ে কিডনির কার্যকরতা কমিয়ে ফেলতে পারে। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে। ঠিক তেমনি ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ না হওয়া সত্ত্বেও কিডনির ফিল্টার/ছাঁকনি ধ্বংস করতে পারে। আবার কারও যদি জন্মগতভাবে কিডনির কার্যকরতা কম থাকে, অথবা কিডনির আকার ছোট বা বেশি বড় থাকে, তাহলেও দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ হতে পারে।

কিন্তু যেকারণেই আপনার কিডনি নষ্ট হয়ে যাকনা কেন এর রয়েছে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা। যা আপনার কিডনি রোগ নির্মূল করে আবার আপনাকে পরিপূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে। ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন এখনই
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
সতর্কতা : 
  • ডায়ালাইসিস করার আগে আসতে হবে। 
  • আসার সময় পূর্বের করা সব ডাক্তারি রিপোর্ট সঙ্গে আনতে হবে।
Share:

প্রশ্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা প্রশ্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন সমস্যা ১০০% কার্যকরী সমাধান

প্রশ্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা প্রশ্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন সমস্যা ১০০% কার্যকরী সমাধান। মূত্রনালীর প্রদাহকে ইংরেজিতে ইউরেথ্রাইটিস বলে। মূত্রনালীতে গনোকক্কাস নামক রোগের জীবানু প্রবেশ করে এই জাতীয় রোগের সৃষ্টি করতে পারে। তবে এটি অন্য ধরনের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্বারাও ঘটতে পারে। আবার কখনো কখনো কোনো প্রকার সংক্রমণ ছাড়াও ঘটতে পারে যেমন - মূত্রনালীতে আঘাত পেলে বা কোনো প্রকার অপারেশন হলে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। গনোরিয়া, সিফিলিস ইত্যাদি রোগের কারণে এটি দেখা দিতে পারে। এর জন্য সর্বাধিক কার্যকর হলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন সর্বাধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা। কাল বিলম্ব না করে ডাক্তারকে ফোন করুন। ধন্যবাদ ।
আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।
Share:

মুখে কালো দাগ, রাতে যা করলে চিরতরে মিশে যাবে!

অনেকের মুখে জায়গায় জায়গায় হালকা কালো দাগ রয়েছে। সুন্দর মুখে বিশ্রী এ রকম কালো দাগ কার ভালো লাগে বলেন? মুখে নামি-দামি ক্রিম ও ফেসওয়াস ব্যবহার করেও কোনও উপকার হয়নি। তাহলে এখন কী করলে এই দাগগুলো দূর করা যাবে?

বিশেষজ্ঞের মতে, হরমোনের ভারসাম্যের অভাব, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ব্রণের সমস্যা, লিভারের সমস্যা, বয়সের কারণে, দুশ্চিন্তা, গর্ভাবস্থায়, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও অতিরিক্ত রাসায়নিক পণ্যের ব্যবহারে মুখে জায়গায় জায়গায় হালকা কালো দাগ হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে চিন্তা করতে নিষেধ করেছেন। তাদের মতে, ঘরোয়া কিছু উপকরণ ব্যবহারে চিরতরে আপনার মুখের কালো দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নিই :

টক দই : কালো দাগের ওপর টক দই লাগান। শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে চাইলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে টক দই কালো দাগের ওপর লাগিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
লেবু : তুলার বলটি লেবুর রসে ভিজিয়ে নিন। এবার এটি মুখের কালো দাগের ওপর ঘষুন। ৩/৪ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন। দেখবেন কালো দাগ দূর হয়ে গেছে।

লেবুতে ভিটামিন সি আছে এবং এর প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান আছে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে।

আলু ও মধু : একটি ছোট আলু মিহি করে বেটে নিন। এর সঙ্গে এক চামুচ মধু মেশান। এবার প্যাকটি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া এক টুকরা আলু নিয়ে ত্বকের কালো জায়গা ঘষুন। নিয়মিত এই কাজটি করলে দেখবেন কালো দাগ একদম দূর হয়ে গেছে।

অ্যালোভেরা : রূপচর্চায় অ্যালোভেরার গুণের কথা সবার জানা। অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল বের করে নিন। এবার জেলটি ত্বকের কালো দাগের ওপর ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে দুইবার এটি করুন। দেখবেন দাগ অনেকটা হালকা হয়ে গেছে।

তুলসি : মুখের কালো দাগ দূর করতে হলে তুলসি পাতা পানিতে ফোটান। তারপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে মুলতানি মাটি মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এই পদ্ধতি ফলো করুন।
Share:

জেনে নিন পেঁপে আমাদের শরীরের জন্য কত উপকারী

শরীরের জন্য ফলের থেকে বেশি উপকারী আর কোনও খাবারই নেই। ফলেই সারে বিভিন্ন অসুখ। ওষুধ ছাড়াই বিভিন্ন রোগ সেরে যায় শুধুমাত্র ফল থেকেই। এমনকি ক্যানসারও। পেঁপে এমন একটা ফল, যা খেতে ভালোবাসেন না, এমন মানুষ নেই। পেঁপেতে অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে। আমাদের শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণ করে পেঁপে। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, মিনারেলস এবং প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে। পেঁপে আমাদের শরীরের কী কী উপকার করে জেনে নিন-

১) হজমের উপকারের জন্য পেঁপে খুবই উপকারী। হজমের সমস্যার জন্য আমাদের আর্থারাইটিস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়। পেঁপে হজমের সমস্যা দূর করে আমাদের এই সমস্ত রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।


২) অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বহু মানুষের রয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে আমাদের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে পেঁপে। সকালে টিফিনে কিংবা সন্ধেবেলা টিফিনে একবাটি করে পেঁপে খেলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।

৩) অন্ত্রের কৃমি রোধ করে পেঁপে। যার ফলে আমাদের শরীর বিভিন্ন ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা পায়।

৪) আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, দাঁতের যন্ত্রণার অব্যর্থ ওষুধ হল পেঁপে।
৫) গবেষকেরা আবিস্কার করেছেন যে, পেঁপেতে এমন কিছু স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে, যা ক্যানসার প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে। স্তন ক্যানসার, প্যানক্রিয়েটিক ক্যানসার, এবং অন্যান্য ক্যানসারেরও অব্যর্থ ওষুধ পেঁপে।

৬) ত্বকের জন্য পেঁপে কতটা উপকারী তা এখন আমরা অনেকেই জেনেছি। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে, একজিমা রোধ করতে, এবং ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে পেঁপে খুবই উপকারী।

৭) পেঁপের দানা হৃদপিণ্ডের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন এ, সি এবং ই রয়েছে পেঁপের দানায়। যা রক্ত পরিশুদ্ধ করতে, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক রোধ করতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

৮) অ্যাকনে এবং অ্যাকনের দাগ দূর করতে এমনকি পোড়ার দাগও দূর করে পেঁপে।

৯) ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই থাকার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পেঁপে খুবই উপকারী।

১০) আর্থারাইটিস, অস্টিও আর্থারাইটিস দূর করতে সাহায্য করে পেঁপে।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে পেঁপে।
Share:

ভ্যাসলিনের ১০টি ব্যতিক্রমী ব্যবহার যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন

অনেকেই হয়তো জানেন না ভ্যাসলিন কতোটা কাজে লাগে? শুধু এর সীমিত ব্যবহারই আমরা জানি। এই জিনিসটি অনেক কাজেই ব্যবহার করা সম্ভব।চলুন, জেনে নিই ভ্যাসলিনের এমন কিছু ব্যবহার সম্পর্কে

১) চুলের আগা ফেটে যাওয়া প্রতিরোধ:- দুই আঙ্গুলে কিছুটা ভেসলিন নিয়ে চুলের ডগায় লাগিয়ে রাখুন। তবে খেয়াল রাখতে হবে পরিমাণে যেন খুব বেশি না হয়।

২) দাঁতে লিপস্টিক লাগা প্রতিরোধে:- অনেক সময়ই দাঁতে লিপস্টিক লেগে যায়। তাই মেকআপের আগে সামান্য ভ্যাসেলিন দাঁতে লাগান। দাঁত দেখতে হবে সাদা এবং লিপস্টিকও আর লাগবেনা।

৩) নেইল পলিশের মুখ খুলতে:- অনেক সময় নেইল পলিশের মুখ শক্ত হয়ে আটকে যায় খোলা রীতিমত অসম্ভব। সামান্য ভ্যাসেলিন নেইল পলিশের ক্যাপের মুখের নিচে লাগিয়ে রাখুন। সহজে খুলে যাবে।

৪) চোখের পাপড়ির ঘনত্ব বাড়াতে:- রাতে ঘুমানোর আগে চোখের পাতায় সামান্য কিছুটা ভ্যাসেলিন লাগিয়ে নিন। কিছুদিন পর দেখুন চমক।

৫) পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে:- গলায়, ঘাড়ে, হাতে বা যেখানে সাধারণত পারফিউম দেয়া হয় সেখানে খুব সামান্য ভ্যাসেলিন মেখে নিয়ে পারফিউম স্প্রে করলে গন্ধটা দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়।
৬) পায়ের গোড়ালী ফাটা রোধ করে:- লোশন বা ক্রিমের বদলে অনেকেই ভ্যাসেলিন ব্যবহার করে থাকেন। তবে জানেন না যে গোড়ালি ফাটা দূর করতেও ভ্যাসেলিন দারুণ কাজে আসে। পা ভালো করে ঘষে পরিস্কার করে নিয়মিত ভেসলিন মেখে মোজা পড়ে রাখলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৭) জুতার উজ্জলতা বৃদ্ধিতে:- জরুরি কোন কাজে পরিপাটি হতে হবে কিন্তু হাতের কাছে পলিশ নেই। কোন চিন্তা নেই! সামান্য ভ্যাসেলিন নিয়ে জুতা ভাল করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। নতুনের মত ঝকঝকে হয়ে যাবে।

৮) চুলের রঙের দাগ তুলতে:- অনেক সময় সাদা চুল কালো রঙ করতে গিয়ে কপালে, কানে এসব স্থানে লেগে যায়। সেই দাগ সহজে তোলাটাও কষ্টকর হয়ে যায়। তখন সামান্য কিছুটা ভেসলিন নিয়ে লেগে থাকা দাগের উপর লাগিয়ে কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।

৯) শেভ করার পর ত্বকের আর্দ্রতা আনতে:- শেভ করার পর মুখে শুষ্ক ভাব চলে আসে। সেটা থেকে রেহাই পেতে সামান্য ভ্যাসেলিন মুখে মেখে নিন।

১০) ত্বকের মরা কোষ দূর করতে:- ভ্যাসেলিনের সাথে সামান্য সামুদ্রিক লবন মিশিয়ে পুরো শরীর স্ক্রাব করে গোসল করলে দেহের ত্বক হয়ে উঠবে সতেজ ও মসৃন।
Share:

বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটা অভ্যেস? এই খবর পড়ার পরে আর সেই সাহস করবেন না

স্মার্টফোনের যুগে মোবাইল মানুষের নিত্যসঙ্গী। একটা মুহূর্তও যেন মোবাইলটি হাত-ছাড়া করল চলে না। কাজে-অকাজে মোবাইল ঘাঁটার অভ্যেস এমনই নেশার স্তরে চলে গিয়েছে যে, বহু মানুষ রাত্রে বিছানায় ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত মোবাইল নিয়ে খুটখাট করেই যান। আর এই অভ্যাসেই রয়ে যাচ্ছে গুরুতর বিপদের আশঙ্কা— এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।

ইউসিএলএ স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকরা একটি সমীক্ষা তথা গবেষণার শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। ঠিক কী ধরনের ক্ষতি হয় এর ফলে? গবেষকদলের প্রধান ডাক্তার ড্যান সিগাল এই প্রশ্নের উত্তরে বলছেন, ‘আসলে মোবাইল ফোনের স্ক্রিন থেকে যে নীল ও সাদা আলো বিচ্ছুরিত হয়, তা মানুষের মস্তিস্ক থেকে মেলাটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণে বাধা দেয়। আর এই হরমোনই শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। ফলে স্বভাবতই সেই মেলাটোনিন ক্ষরণে যদি বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে অনিদ্রা এবং ঘুমের অভাব দেখা দেয়।’

কিন্তু ঘুম কম হলেই বা ক্ষতি কী? সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে জানানো হচ্ছে, যাঁরা দিনে আট ঘণ্টার কম ঘুমোন, তাঁদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থাৎ ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাঁটার অর্থ— কার্যত অস্বাভাবিক এবং অকাল মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনা।
ডাক্তার সিগাল বিস্তারিত ব্যাখ্যা-সহ জানান, ‘‘মোবাইল স্ক্রিন থেকে যে ফোটন-প্রবাহ চোখের দিকে আসে, তা আমাদের মস্তিস্কে ক্রমাগত এই বার্তা পাঠায় যে, ‘জেগে থাকো’। তার ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। অর্থাৎ ঘুম কমে যায়, অথবা প্রয়োজনীয় গভীর ঘুম থেকে বঞ্চিত হয় শরীর। তার ফলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। ডায়বেটিস, স্থূলতা, হার্টের রোগ এমনকী ক্যানসারের সম্ভাবনা পর্যন্ত নিদ্রাল্পতার কারণে বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ক্লান্তি, অবসাদ কিংবা যৌন ইচ্ছা হ্রাসের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।’’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, একটি পৃথক সমীক্ষায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, অনিদ্রায় ভোগা হাজার জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে ৮৫০ জনেরই ঘু‌ম না-হওয়া বা ঘুম কম হওয়ার প্রধান কারণ মোবাইল ফোন। কাজেই আর দেরি নয়, আজই নিজেকে মুক্ত করুন বিছানায় শুয়ে মোবাইল ঘাঁটার বদভ্যাস থেকে। প্রাণায়াম, ধ্যান, কিংবা অন্য কোনও রিল্যাক্সেশন এক্সারসাইজ মোবাইল ঘটিত এই সমস্যা থেকে মুক্তির দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন মনোবিদরা। -এবেলা
Share:

সাম্প্রতিক আপডেট

Latest Stories

Copyright © Ultimate Health Solutions